কী প্রোডাক্ট চায়না থেকে বাংলাদেশে বেশি ইমপোর্ট করা হয়?

কী প্রোডাক্ট চায়না থেকে বাংলাদেশে বেশি ইমপোর্ট করা হয়?

আপনি কি জানেন চায়না থেকে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি কোন প্রোডাক্ট ইমপোর্ট করা হয়? 

চায়না থেকে বিভিন্ন ধরনের প্রোডাক্ট বাংলাদেশে আমদানি বা ইমপোর্ট করার বিষয়টি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

চীন থেকে স্বল্প মূল্যে উন্নত মানের প্রোডাক্ট সরবরাহ করা হয় বলে পোশাক, ইলেকট্রনিক্স, বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জামাদি, বাচ্চাদের জামা কাপড়, খেলনা, ডায়াপার, খাদ্যদ্রব্য, কাঁচামাল, মেকআপ আইটেম, বিভিন্ন মেকানিক্যাল পার্টস ইত্যাদি প্রোডাক্ট বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ইমপোর্ট করা হয়। 

চায়না থেকে মোট আমদানির প্রায় ৪৩% প্রোডাক্ট প্রতিবছর বাংলাদেশে আমদানি বা ইমপোর্ট করা হচ্ছে। 

আজকের আলোচনায় আমরা জানব কী প্রোডাক্ট চায়না থেকে বাংলাদেশে বেশি ইমপোর্ট করা হয়। আরও বিস্তারিত জানতে এবং নিজের ব্যবসা শুরু করতে এই কোর্সটি (How to Import from China and Start a Business) বেশ কার্যকরী। সেহেতু পেশাদারভাবে শুরু করতে অভিজ্ঞরা এ কোর্সটিতে অংশগ্রহণ করতে উৎসাহ দেয়। সেই সাথে ঘুড়ি লার্নিং সাবস্ক্রিপশনে অংশগ্রহণ করে খুব কম খরচে সকল কোর্স এক্সেস করতে পারেন দেশের যেকোন জায়গা থেকে। 

 

চায়না থেকে পণ্য আমদানির কারন ও সুবিধা 

চায়না থেকে পণ্য আমদানি করার মূল কারণ হলো চীন থেকে স্বল্প মূল্যে উন্নত মানের পণ্য সরবরাহ করা হয় যার ফলে বাংলাদেশে বিদেশি পণ্যের ব্যবসা বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

চায়না থেকে পণ্য আমদানি করার উল্লেখযোগ্য কারণ ও সুবিধা গুলো হলো -

  • আকর্ষণীয় এবং উন্নতমানের পণ্য 
  • বাজেট ফ্রেন্ডলি অর্থাৎ স্বল্পমূল্যে ভালো পণ্য পাওয়া যায় 
  • নিরাপদ এবং স্থিতিশীল সরবরাহ 
  • পন্যের ধরন এবং সঠিক গুণগতমান 
  • অনলাইনে আমদানি করার সহজ পদ্ধতি অর্থাৎ সরাসরি না গিয়েও অনলাইনে পণ্য আমদানি করা যায় 
  • বাংলাদেশে চায়না প্রোডাক্ট এর অধিক চাহিদা 
  • বিদেশি পণ্যের ব্যবসা এবং ব্যবহার বৃদ্ধি 
  • নিরাপদে পণ্য ক্রয় এবং নির্ভেজাল পণ্য সরবরাহ 

মূলত এ সকল কারণ ও সুবিধার জন্যই বাংলাদেশের জনগণ চায়না থেকে বাংলাদেশে প্রোডাক্ট ইমপোর্ট করার দিকে বেশি আগ্রহ প্রকাশ করছে এবং সফলভাবে বিদেশি পণ্যের ব্যবসা বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

 

চায়না থেকে আমদানি পণ্য তালিকা

সাধারণত চায়না থেকে ব্যবসার উদ্দেশ্যে অথবা নিজস্ব ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন ধরনের পণ্য বাংলাদেশে ইমপোর্ট করা হয়। 

বিভিন্ন ধরনের খেলনা, ঘরের আসবাবপত্র, ইলেকট্রনিক্স কেমিক্যাল, বিভিন্ন ধরনের যন্ত্র, মেক আপ আইটেম, জামা কাপড়, জুতা, ব্যাগ, শুকনো খাবার, ঘর সাজানোর বিভিন্ন সামগ্রী ইত্যাদি চায়না থেকে বাংলাদেশে বেশি ইমপোর্ট করা হয়। 

চলুন জেনে নেয়া যাক চায়না থেকে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি আমদানিকৃত পণ্যের তালিকা।

 

১. ইলেকট্রনিক্স

প্রতিবছর চায়না থেকে বাংলাদেশে অধিক হারে ইলেক্ট্রনিক জাতীয় পণ্য ইমপোর্ট করা হয়ে থাকে। 

বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক্স যেমন স্মার্টফোন, টেলিভিশন, ল্যাপটপ, কম্পিউটার ইত্যাদি চায়না থেকে খুব বেশি আমদানি করা হয়ে থাকে। 

২. যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম

বাংলাদেশে টেক্সটাইল, নির্মাণ এবং উৎপাদনের মতো শিল্পের উন্নতি ত্বরান্বিত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতি এবং সরঞ্জাম চায়না থেকে ইমপোর্ট করা হয়। 

২০২১ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী প্রায় ৬২৪ মিলিয়ন ডলার এসকল যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম আমদানি করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে খরচ করা হয়। 

৩. হোম অ্যাপ্লায়েন্সেস

চায়না থেকে প্রায়ই বিভিন্ন ধরনের হোম অ্যাপ্লায়েন্সস বা গৃহ সামগ্রী যেমন রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার, ওয়াশিং মেশিন, ঘর সাজানোর বিভিন্ন উপকরণ, রান্নাঘরে ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী ইমপোর্ট করা হয়। 

 

৪. ফোন কেস

মোবাইল ফোনের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার জন্য এবং আরো আকর্ষণীয় করার জন্য ফোন কেস ব্যবহার করা হয় যা চায়না থেকে আমদানি করা হয়। 

বাংলাদেশের স্বল্পমূল্যে আকর্ষণীয় মোবাইল ফোনের কেস উৎপাদনের ব্যবস্থা না থাকায় চায়না থেকে খুব স্বল্পমূল্যে অধিক পরিমানে ফোন কেস ইমপোর্ট করা হয়। 

 

৫. খেলনা ও গেমস

প্লাস্টিক এবং ইলেকট্রনিক্স খেলনা ও গেমস গুলোর অন্যতম রপ্তানিকারক হলো চায়না। 

বাচ্চাদের প্লাস্টিকের খেলা থেকে শুরু করে বড়দের ইলেকট্রনিক্স গেমস ইত্যাদি সকল ধরনের খেলনা ও গেমস সামগ্রী চায়না থেকে আমদানি করে হয়ে থাকে। 

 

৬. শিশু সামগ্রী 

চায়না থেকে বিভিন্ন ধরনের শিশু সামগ্রী যেমন বাচ্চাদের ডায়াপার, লোশন, পাউডার, বাচ্চাদের ফিডার, জামা কাপড়, মোজা, জুতা ইত্যাদি ইমপোর্ট করা হয়। 

এ ধরনের শিশু সামগ্রী অথবা শিশু পণ্যের গুণমান উন্নত হওয়ার ফলে আমদানিকৃত এই সকল পণ্য বাংলাদেশে অনেক বেশি ব্যবহার করা হয়। 

 

৭. আসবাবপত্র

বাড়িতে বা অফিসে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের আসবাবপত্র সহ বিভিন্ন ধরনের বহিরঙ্গনা আসবাবপত্রও চায়না থেকে ইমপোর্ট করা হয়ে থাকে। 

নিজস্ব ব্যবহারের জন্য অথবা ব্যবসার উদ্দেশ্যে ছোট, বড়, বিভিন্ন আকর্ষণীয় মজবুত আসবাবপত্র চায়না থেকে বাংলাদেশে আমদানি করা হয়। 

৮. প্লাস্টিকের পণ্য

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিকের পণ্য যেমন প্লাস্টিকের পাত্র, বোতল, প্যাকেজিং সামগ্রী, খেলনা, রান্নার সামগ্রী ইত্যাদি চায়না থেকে অনেক বেশি ইমপোর্ট করা হয়। 

২০২১ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী প্রায় ৬৯০ মিলিয়ন ডলার প্লাস্টিকের পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে খরচ করা হয়েছে।

৯. পোশাক এবং টেক্সটাইল 

চায়না থেকে প্রতিবছর বিভিন্ন ধরনের আকর্ষণীয় এবং পোশাক যেমন ছেলে-মেয়েদের টি-শার্ট, জিন্স, টুপি, হাত মোজা, বোরকা, হিজাব ইত্যাদি ইমপোর্ট করা হয়। 

এছাড়াও টেক্সটাইল শিল্পের জন্য পোশাক তৈরির বিভিন্ন কাঁচামাল চায়না থেকে আমদানি করে হয়ে থাকে। 

১০. ব্যাগ

নিজস্ব ব্যবহারের জন্য অথবা ব্যবসার জন্য চায়না থেকে ইমপোর্ট করা ব্যাগের চাহিদা অনেক বেশি। 

এজন্যই প্রতিবছর চায়না থেকে ছোট বড় বিভিন্ন ধরনের আকর্ষণীয় স্কুল ব্যাগ, হ্যান্ড পার্স, ভেনিটি ব্যাগ, ব্যাগপ্যাক ইত্যাদি বাংলাদেশে আমদানি করা হয়। 

১১. কেমিক্যাল ও ফার্মাসিউটিক্যাল

চীন বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল ও ঔষধ পণ্য সরবারাহ করে থাকে যা চিকিৎসার ক্ষেত্রে এবং ঔষধ তৈরি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। 

২০২১ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রায় ৫৫৭ মিলিয়ন ডলার অর্থ কেমিক্যাল ও ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্য ইমপোর্ট করার ক্ষেত্রে খরচ করা হয়েছে।

১২. মেকআপ আইটেম

আজকাল চায়না থেকে মহিলাদের মেকআপ আইটেম যেমন ফাউন্ডেশন, আইলানের, আইস্যাড মাসকারা, বিউটি ব্লেন্ডার, সানস্ক্রিন, লিপস্টিক, ব্লাশ, হাইলাইটার  ইত্যাদি বাংলাদেশে অধিক হারে ইমপোর্ট করা হচ্ছে। 

নিজস্ব ব্যবহারের জন্য আবার ব্যবসা করার জন্য বাংলাদেশের জনগণ চায়না থেকে বিভিন্ন ধরনের মেয়েদের মেকাপ আইটেম আমদানি করার ক্ষেত্রে বেশ আগ্রহ প্রকাশ করছে। 

১৩. খাদ্যদ্রব্য 

বিভিন্ন ধরনের শুকনো খাদ্যদ্রব্য যেমন বাদাম, খেজুর, বিভিন্ন ধরনের স্ন্যাকস এবং ফ্রোজেন খাদ্য সামগ্রী, সয়াবিন তেল, পাম ওয়েল, গম  ইত্যাদি আজকাল চায়না থেকে আমদানি করা হচ্ছে। 

১৪. বিল্ডিং তৈরির উপকরণ 

বাড়ি, ঘর, অফিস, আদালত ইত্যাদি ধরনের বিল্ডিং তৈরির বিভিন্ন ধরনের উপকরণ যেমন - লোহা, ইস্পাত, রড, সিমেন্ট ইত্যাদি চায়না থেকে ইমপোর্ট করা হয়। 

২০২১ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে ৭৯৯ মিলিয়ন ডলার অর্থ ব্যয় করা হয় লোহা, ইস্পাত এবং এধরনের উপকরণ আমদানি করতে।

 

এসকল পণ্য ছাড়াও আরো বিভিন্ন ধরনের পণ্য বর্তমানে চায়না থেকে বাংলাদেশে অধিক পরিমানে আমদানি করা হচ্ছে। 

 

চীন লাভজনক মূল্যে উন্নত গুণমান সমৃদ্ধ বিভিন্ন ধরনের পণ্য সরবারাহ করতে সক্ষম হওয়ার ফলে বাংলাদেশে বর্তমানে চায়না আমদানীকৃত বিভিন্ন পণ্যের চাহিদা অনেক বেশি এবং এর ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

 

চায়না থেকে প্রোডাক্ট ইমপোর্ট করার নিয়ম 

 

বাংলাদেশের আমদানিকৃত পণ্যগুলোর মধ্যে প্রায় ৪৩% পণ্য চীন বা চায়না থেকে আমদানি করা হয়। 

বর্তমানে অনলাইনে এবং কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে চায়না থেকে বাংলাদেশে প্রোডাক্ট ইমপোর্ট করা সম্ভব হচ্ছে। আবার সরাসরি পাসপোর্ট ভিসার মাধ্যমে চীন দেশে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি করার যায়।

চায়না থেকে বাংলাদেশে দুই ভাবে প্রোডাক্ট ইমপোর্ট করা যায়। 

  1. সরাসরি চীন থেকে পণ্য ক্রয়
  2. অনলাইনে পণ্য ক্রয়

 

১. সরাসরি চীন থেকে পণ্য ক্রয়

ব্যবসার উদ্দেশ্যে অথবা নিজে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে চায়না থেকে প্রোডাক্ট ইমপোর্ট করার জন্য আপনি সরাসরি পাসপোর্ট ভিসার মাধ্যমে চীন দেশে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের পণ্য ক্রয় করতে পারবেন। 

সরাসরি চীন থেকে পণ্য ক্রয় বা আমদানি করার ক্ষেত্রে অবশ্যই নির্দিষ্ট পরিমাণ ভ্যাট ট্যাক্স দিয়ে সঠিকভাবে চায়না থেকে পণ্য আমদানি করতে হবে। 

 

২. অনলাইনে পণ্য ক্রয় 

বর্তমানে অনলাইন থেকেই বিভিন্ন ওয়েবসাইট এবং অ্যাপসের মাধ্যমে চায়না থেকে বিভিন্ন ধরনের পণ্য অর্ডার করা যায় এবং খুব কম সময় তা হাতে পাওয়া সম্ভব। 

অনলাইন থেকে চায়না প্রোডাক্ট ইমপোর্ট করার জন্য আলিবাবা, আলি এক্সপ্রেস, আমাজন ইত্যাদি বেশ জনপ্রিয় ওয়েবসাইট। 

এই ওয়েবসাইটগুলো থেকে অনলাইনে পণ্য অর্ডার করলে ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যেই কুরিয়ারের মাধ্যমে আমদানি কৃত প্রোডাক্টগুলো হাতে পাওয়া যায়। 

 

এভাবে দুটি উপায় অবলম্বন করে খুব সহজেই চায়না থেকে বাংলাদেশে পণ্য ইমপোর্ট করা সম্ভব। 

 

FAQ's (বার বার জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন)

১. চায়না থেকে কোন পণ্য সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশে আমদানি করা হচ্ছে? 

সাধারণত ইলেকট্রনিক বিভিন্ন ডিভাইস যেমন মোবাইল ফোন, টেলিভিশন, বিভিন্ন শিশু সামগ্রী, ব্যাগ, জুতা, জামা, বিভিন্ন পণ্যের কাঁচামাল, কেমিক্যাল, চিকিৎসা সরঞ্জাম, বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতি ইত্যাদি চায়না থেকে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশে ইমপোর্ট করা হয়। 

 

২. অনলাইনে কিভাবে চায়না প্রোডাক্ট ইমপোর্ট করা যায়? 

বিভিন্ন জনপ্রিয় ওয়েবসাইট যেমন আলিবাবা, আলী এক্সপ্রেস ইত্যাদির তাদের মাধ্যমে ঘরে বসেই অনলাইনে চায়না প্রোডাক্ট অর্ডার করা যায় যা কুরিয়ারের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে হয়।

 

৩. চায়না থেকে বাংলাদেশের প্রোডাক্ট ইমপোর্ট হতে কত সময় লাগে? 

চায়না থেকে প্লেনের মাধ্যমে প্রায় ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে বাংলাদেশে পণ্য ইমপোর্ট করা যায়। আবার জাহাজের মাধ্যমে পণ্য আমদানি করার ক্ষেত্রে এই সময় ৪০ থেকে ৪৫ দিন পর্যন্ত হতে পারে। 

 

৪. চায়না থেকে আমদানি খরচ কত? 

বিমান বা জাহাজের মাধ্যমে চায়না থেকে বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি করার ক্ষেত্রে প্রায় ৮ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা লাগে। আমদানি কৃত পণ্যের ধরন ও পরিমাণের উপর ভিত্তি করে আমদানি খরচ কম বেশি হতে পারে। 

 

৫. চায়না থেকে সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানির কারণ কি? 

চীন থেকে স্বল্প বাজেটে উন্নত মানের বিভিন্ন ধরনের পণ্য সরবরাহ করা হয়ে থাকে যা আজকাল খুব সহজে ইমপোর্ট করা সম্ভব। তাই চায়না থেকে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি করে। 

 

আবারও বলছি, ইমপোর্ট ব্যবসা আরও বিস্তারিত জানতে এবং নিজের ব্যবসা শুরু করতে এই কোর্সটি (How to Import from China and Start a Business) বেশ কার্যকরী। সেহেতু পেশাদারভাবে শুরু করতে অভিজ্ঞরা এ কোর্সটিতে অংশগ্রহণ করতে উৎসাহ দেয়। সেই সাথে ঘুড়ি লার্নিং সাবস্ক্রিপশনে অংশগ্রহণ করে খুব কম খরচে সকল কোর্স এক্সেস করতে পারেন। 

 

শেষ কথা 

স্বল্পমূল্যে উন্নত মানের প্রোডাক্ট এবং কাঁচামাল সরবরাহ করায় প্রতি বছর চায়না থেকে প্রচুর পরিমাণে প্রোডাক্ট বাংলাদেশে আমদানি বা ইমপোর্ট করা হয়। 

পোশাক পরিচ্ছদ থেকে শুরু করে খাদ্যদ্রব্য পর্যন্ত প্রায় সকল ধরনের প্রোডাক্ট প্রচুর পরিমাণে চায়না থেকে বাংলাদেশে আমদানি করা হচ্ছে যার ফলে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ক্রমশই বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং উন্নত হচ্ছে। 

 

এরপরও বিজনেস শুরু করতে কোন প্রশ্ন থাকলে করতে পারেন, আমাদের অভিজ্ঞ টিম আপনাকে সহায়তা করবে। ঘুড়ি লার্নিং ব্লগের সঙ্গে সাথার জন্য ধন্যবাদ।

Related Post

No data found